ঢাকা , শনিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৫ , ২১ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ , ই-পেপার
সংবাদ শিরোনাম
বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্পে বড় আঘাত গণতান্ত্রিক স্থিতিশীল শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশের প্রতি সমর্থন মোদির দুর্নীতি প্রতিরোধে কাজ করতে বাংলাদেশ-থাইল্যান্ড এমওইউ মোদীকে দশ বছর আগের কথা মনে করিয়ে ছবি উপহার ইউনূসের নতুন সমীকরণে বাংলাদেশ-ভারত বাস চালকের হদিস মেলেনি আহত শিশু আরাধ্যকে ঢাকায় হস্তান্তর নিহত বেড়ে ১১ স্বস্তির ঈদযাত্রায় সড়কে ঝরলো ৬০ প্রাণ চালের চেয়েও ছোট পেসমেকার বানালেন মার্কিন বিজ্ঞানীরা আ’লীগের নেতাদের রাজকীয় ঈদ উদযাপনে ক্ষুব্ধ কর্মীরা আন্দোলনে ফিরবেন বেসরকারি কলেজ শিক্ষকরা মাদারীপুরে আগুনে পুড়ল ২ বাড়ি ভৈরবের ত্রি-সেতুতে দর্শনার্থীদের ভিড় বর্ষবরণের আয়োজন, পাহাড়ে উৎসবের রঙ ঈদের আমেজ কাটেনি বিনোদন স্পটে ভিড় আ’লীগকে নিষিদ্ধ করা বিএনপির দায়িত্ব নয় নতুন নিয়মে বিপাকে ট্রাভেল এজেন্সিগুলো ঈদের আগে বেতন-বোনাস পেয়ে স্বস্তিতে সাড়ে ৩ লাখ এমপিওভুক্ত শিক্ষক ঈদযাত্রায় সদরঘাটে চিরচেনা ভিড় মিয়ানমারে ভূমিকম্পে শতাধিক মানুষের মৃত্যুর আশঙ্কা

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতিতে গভীর উদ্বেগ মান্নার

  • আপলোড সময় : ২৭-১১-২০২৪ ১১:০১:৪৪ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২৭-১১-২০২৪ ১১:০১:৪৪ পূর্বাহ্ন
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতিতে গভীর উদ্বেগ মান্নার
বাংলাদেশে গত কয়েকদিনে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির ভয়ানক অবনতিতে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না। বিশেষ করে রাজধানী ঢাকায় গত কয়েকদিনে এক নৈরাজ্যকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার দলের সাংগঠনিক সম্পাদক সাকিব আনোয়ারের সই করা বিবৃতিতে এসব কথা বলেন তিনি। মান্না বলেন, গত ১৮ নভেম্বর ঢাকা ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ড. মাহবুবুর রহমান মোল্লা কলেজের ডেঙ্গু আক্রান্ত ছাত্র অভিজিৎ মারা যান। মৃত্যুর জন্য চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগের রেশ ধরে গত কয়েকদিনে মাহবুবুর রহমান মোল্লা কলেজ, ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ, কবি নজরুল ও সোহরাওয়ার্দী কলেজে যে নজিরবিহীন নৈরাজ্য সৃষ্টি হয়েছিল, তা নিয়ন্ত্রণে পুলিশ সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে না পারলেও এ পর্যন্ত ৮ হাজার শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে মামলা করেছে। তিন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরাও দায়িত্বশীল আচরণ করেননি। যে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে অভিজিত মারা গেলেন, সেই ডেঙ্গুতে সারা দেশে এখনও পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা প্রায় ৫০০। এরই মধ্যে হাইকোর্টের আদেশে ব্যাটারিচালিত রিকশা নিষিদ্ধ ও চলাচলে বিধিনিষেধ দেশের প্রায় ৬০ লাখ এবং ঢাকার প্রায় ১৫ লাখ রিকশা চালককে বিক্ষুব্ধ করেছে। বিগত স্বৈরাচার সরকারের মতো ব্যাটারিচালিত রিকশার যন্ত্রাংশ আমদানি এবং বিক্রিরর ওপর বিধিনিষেধ আরোপ না করে এ ধরনের সিদ্ধান্ত পরিস্থিতিকে জটিল করে তুলছে। পতিত স্বৈরাচার এবং তাদের দোসররা এই সুযোগগুলোকে কাজে লাগিয়ে দেশকে অস্থিতিশীল করে তুলছে। কিন্তু এর দায় অবশ্যই সরকারের ওপর বর্তায়। ‘এত বিশৃঙ্খলা কেন’, প্রশ্ন রেখে নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মান্না বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টাদের কেউ কেউ বলছেন, কোনও কোনও পক্ষ গত কয়েকদিন ধরে রাজধানীর বিভিন্ন অংশে অরাজকতা সৃষ্টি করার চেষ্টা চালাচ্ছে। এমনকি প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস তার ভাষণে বলেছেন, দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র চলছে। তাহলে সরকার কেন ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করতে বিশেষ সেই পক্ষগুলোর বিরুদ্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নিচ্ছে না? সরকারকে সতর্ক করে মান্না বলেন, ভুলে গেলে চলবে না যে, পরাজিত শক্তি এখনও শক্তিশালী। তারা দুর্নীতির মাধ্যমে বিপুল অর্থ উপার্জন করেছে। তারা অর্থপাচার করেছে। প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং গোয়েন্দা সংস্থায় এখনও তাদের দোসররা বহাল তবিয়তে আছে। এদের একটি অংশ তাদের বেআইনি কার্যকলাপের সহযোগী ছিল। ফলে তারা সুযোগ পেলেই পতিত স্বৈরাচারের পক্ষে কাজ করতে পারে। ক্ষমতাচ্যুত গোষ্ঠী কখনোই চায় না অন্তর্বর্তীকালীন সরকার তার লক্ষ্যে পৌঁছাক। ডাকসুর দুবারের এই সাবেক ভিপি বলেন, দেশ একটি সংকটময় পরিস্থিতিতে রয়েছে। অনিশ্চয়তা সর্বত্র। হাসিনা সরকারের হাতে ধ্বংসপ্রাপ্ত অর্থনীতি এখনও ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি। দুর্নীতি, চাঁদাবাজি, দখলদারত্ব বন্ধ করা যায়নি। ফলে দ্রব্যমূল্যের লাগাম টেনে ধরা যাচ্ছে না। নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে না। চারদিকে সংকট আর বিশৃঙ্খলা। এই পরিস্থিতিতে সরকারকে অত্যন্ত সাবধানে কাজ করতে হবে। সামান্য ভুলও দেশের জন্য বিপর্যয় বয়ে আনতে পারে। ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মাধ্যমে অর্জিত বিজয় যে কোনও মুহূর্তে হাতছাড়া হয়ে যেতে পারে।

নিউজটি আপডেট করেছেন : Dainik Janata

কমেন্ট বক্স